বছরে তিনটি পরীক্ষা যেমন ১ম সাময়িক, ২য় সাময়িক ও বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর এই তিনটি পরীক্ষার মধ্যে ১ম সাময়িক থেকে ২৫%, ২য় সাময়িক থেকে ২৫% এবং বার্ষিক থেকে ৫০% নিয়ে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। এই ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীর পরবর্তী ক্লাসে মেধাস্থান ও রোল নম্বর নির্ধারিত হবে। প্রতিটি সাময়িক পরীক্ষার ফল প্রকাশের ক্ষেত্রে সাময়িক পরীক্ষার পূর্বে যে ক্লাস গুলো অনুষ্ঠিত হবে, সেই ক্লাস গুলো থেকে ৪০%, ক্লাসে উপস্থিতি থেকে ১০% এবং সাময়িক পরীক্ষার ফল থেকে ৫০% নিয়ে প্রতিটি বিষয়ের উপর ফল প্রকাশ করা হবে। গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে ফল প্রকাশের এরূপ পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে করে একজন শিক্ষার্থী তার প্রতিদিনের পড়াকে যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে। কেননা একজন শিক্ষার্থীর প্রতিদিনের ক্লাস পারফরমেন্স তার চূড়ান্ত ফলে প্রতিফলিত হবে। ফল প্রকাশের ক্ষেত্রে গ্রেডিং পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। গ্রেড গুলো যথাক্রমে A++ (৯১-১০০), A+ (৮১-৯০),  A (৭১-৮০), A- (৬১-৭০), B (৫১-৬০), C(<৫১)। গ্রেড নির্বাচনের ক্ষেত্রে A++ গ্রেডটি সংযোজন করা হয়েছে। প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় A+ গ্রেডটি হচ্ছে সর্বোচ্চ। কিন্তু আমরা A++ গ্রেডটি সর্বোচ্চ হিসেবে রেখেছি। কেননা আমরা মনে করি ৮০ নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থী ও ১০০ নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রতিভার ব্যবধান অনেক। আশাকরি এই ব্যাপারটি শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলেই গভীরভাবে অনুধাবন করবেন।