1. শুরু থেকেই প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা।
  2. প্রত্যেক শিক্ষার্থীর বিষয় ভিত্তিক ক্লাস পারফরমেন্স ও সার্বিক (সকল বিষয়) রিপোর্ট তৈরি করা যা থেকে প্রত্যেক শিক্ষার্থী প্রতি মুহূর্তে নিজের সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবে।
  3. প্রতি দিনের ক্লাস পারফরমেন্সের ভিত্তিতে প্রতি মাসে A++ ও A+ গ্রেড প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা।
  4. স্কুলের প্রতিটি সাময়িক পরীক্ষায় মেধাস্থান লাভকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা।
  5. তুমুল প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় অধিকতর মনোযোগী ও উৎসাহী করে তোলা।
  6. প্রতিটি বিষয়ে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক দ্বারা ক্লাস পরিচালনা এবং ক্লাসের পড়া ক্লাসেই তৈরি করার ব্যাপারে সর্বোচ্চ জোর দেওয়া।
  7. নিয়মিত হোম ওয়ার্ক ও ক্লাস ওয়ার্ক করানো।
  8. কঠিন ও জটিল বিষয়গুলোকে বোধগম্য করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় হ্যান্ড নোট প্রদান করা।
  9. প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন ক্লাসে আদায় করা,    যা একজন শিক্ষার্থীকে সময়মত সিলেবাস শেষ করতে সাহায্য  করবে।
  10. দুর্বল ছাত্র/ছাত্রীদের অধিকতর সবল করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশেষ ক্লাস ও নিয়মিত হোম ভিজিটের ব্যবস্থা  করা।
  11. আবাসিক শিক্ষার্থীদের প্রধান শিক্ষকের তত্বাবধানে রাখা।
  12. আবাসিক শিক্ষার্থীরা যেন প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন সময়মত শেষ করতে পারে, তাদের থাকা ও খাওয়ার কোন রকম সমস্যা না হয় তার জন্য সব রকম রুম সার্ভিসের ব্যবস্থা করা।
  13. প্রতিটি বিষয় ভালভাবে পড়ানোর পর পর্যাপ্ত সংখ্যক ক্লাস টেস্ট নেয়া এবং সাময়িক পরীক্ষার আগে খুব ভালোমত রিভিশন করানো।
  14. প্রত্যেক মাসেই ক্লাস পারফরমেন্সের ভিত্তিতে A++ (৯১-১০০), A+ (৮১-৯০), A(৭১-৮০), A- (৬১-৭০),B (৫১-৬০), C(<৫১) এই ছয়টি গ্রেডে ফলাফল প্রকাশ করা।
  15. সব সময় অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার মানোন্নয়নে সর্বদাই চেষ্টা করা।