অভিভাবকদের জ্ঞাতার্থে

 

১।  নির্ধারিত সময় সূচী অনুযায়ী আপনার সন্তানকে বিদ্যালয়ের নির্ধারিত ও পরিচ্ছন্ন পোশাকে শিক্ষা উপকরণাদি সহ বিদ্যালয়ে পাঠাবেন ।

২।  হাত ও পায়ের নখ কাটা,দাঁত পরিস্কার রাখা, চুল কাটা ও আঁচড়ানো, চোখ মুখ পরিস্কার ইত্যাদির প্রতি দৃস্টি রাখবেন ।

৩।  নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপনার সন্তানের মাসিক বেতন, পরীক্ষার ফি পরিশোধ করবেন।

৪।  প্রতিদিনের ক্লাস পারফরমেন্স  সম্পর্কে অবগত থাকবেন।

৫।  শিক্ষার্থীর বিদ্যালয় থেকে বাসায় ফেরার পর ক্লাস ওয়ার্ক, হোম ওয়ার্ক ও ডায়েরী প্রতিদিন দেখবেন।

৬।  শিক্ষার্থী যেন প্রতিদিন ক্লাসে পড়া ভালোভাবে পারে এবং হোম ওয়ার্ক গুলো যথাযথ ভাবে তৈরি করে ক্লাসে আসে সে ব্যাপারে সব সময় সজাগ থাকবেন।

৭।  শিক্ষার্থী যদি ক্লাসে ঠিকমত পড়া না পারে অথবা বুঝতে না পারে তাহলে প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করে সমস্যা সমাধানের চেস্টা করবেন।

৮।  আপনার সন্তানের লেখাপড়া সংক্রান্ত ব্যাপারে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ একান্ত কাম্য।

৯। শারীরিক অসুস্থতার কারণে আপনার সন্তান পরীক্ষা দিতে অসমর্থ হলে পরীক্ষার পূর্বেই  ডাক্তারী সনদপত্র সহ দরখাস্তের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষককে জানাতে হবে।

১০।  বিদ্যালয়ের নিয়ম কানুন ও শৃঙ্খলা রক্ষার খাতিরে আপনার সন্তানের অমার্জনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে বহিস্কার করতে পারবে।

১১।  পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করাও অমার্জনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে।

১২।  আপনার বক্তব্য ডায়েরীতে লিখে শ্রেণীশিক্ষকের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষককে জানাতে পারেন।

১৩।  বিদ্যালয় চলাকালীন আপনার সন্তানের সাথে দেখা করার প্রয়োজন হলে প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে দেখা করতে হবে।

১৪।  পরীক্ষার ফলাফল, প্রতিদিনের ক্লাস পারফরমেন্স ও সাময়িক পরীক্ষার ফলাফলের সমন্বয়ে করা হয়ে থাকে বিধায় শিক্ষার্থীর ক্লাসে উপস্থিত থাকা এবং প্রতিটি সাময়িক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ আপনার সন্তানের জন্য আবশ্যক।

১৫।  বিদ্যালয়ে প্রাতকালীন সমাবেশ শুরু হওয়ার পূর্বে বিদ্যালয়ের মূলগেইট বন্ধ করে দেওয়া হবে। গেইট বন্ধ হওয়ার পরে কোন শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারবেনা ও সেই দিন অনুপস্থিত হিসেবে গণ্য হবে।

১৬। আপনার সন্তান দ্বারা বিদ্যালয়ের কোন সম্পদের ক্ষতি হলে তা আপনাকে পূরণ করতে হবে।

১৭।  বিদ্যালয়ের নিয়মিত অভিভাবক সমাবেশে অংশ নিন এবং আপনার সন্তানের লেখাপড়া সংক্রান্ত যে কোন সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হউন। সেই সাথে বিদ্যালয়ের উন্নয়নে আপনার গঠনমূলক পরামর্শ দিন।

 

শিক্ষার্থীদের জ্ঞাতার্থে

 

১।  নির্দিষ্ট সময়ে সঠিক ও পরিচ্ছন্ন পোশাকে বিদ্যালয়ে আসতে হবে।

২। দৈনন্দিন শ্রেণি কার্যসূচী মোতাবেক বই, খাতা, কলম ও জ্যামিতি বক্স সহ বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হবে।

৩।  ডায়েরীর যথোপযুক্ত ব্যবহার করতে হবে।

৪।  বিদ্যালয়ের নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে।

৫।  বড়রা ছোটদের স্নেহ ও সহানুভূতি প্রদর্শন করবে এবং ছোটরা বড়দের সম্মান ও শ্রদ্ধা করবে।

৬।  বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার কারণ দরখাস্তের (অভিভাবক কর্তৃক স্বাক্ষরিত) মাধ্যমে জানাতে হবে।

৭।  সকল শিক্ষক/শিক্ষিকাকে সম্মান প্রদর্শন পূর্বক তাদের আদেশ উপদেশ পালন করবে।

৮।  শ্রেণি নেতা/নেত্রীর আদেশ মেনে চলতে হবে।

৯।  প্রত্যেকে নিজ নিজ জিনিসপত্র নিজ নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করবে এবং কেউ কারও জিনিস ধরবেনা।

১০।  বিদ্যালয়ের কোন সম্পদ ক্ষতি করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে।

১১।  A++ ও  A+ গ্রেড প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হবে।

১২।  ছাত্রদের ক্ষেত্রে চুল ছোট করে রাখবে এবং স্কুল ইউনিফর্ম পরিধান পূর্বক বিদ্যালয়ে আগমন করবে।

১৩।  দৈনন্দিন সমাবেশে সারিবদ্ধভাবে নির্দিষ্ট সময়ে শৃঙ্খলার সাথে যোগদান করবে।

১৪।  টিফিনে কোন শিক্ষার্থী অভিভাবকের সরবরাহকৃত খাবার ছাড়া বাইরে থেকে কোন খাবার কিনতে  পারবে না।

১৫।  বিদ্যালয়ে কোন প্রকার মোবাইল, এমপি-৩, ওয়াকম্যান, মেটালিক স্কেল সঙ্গে আনতে পারবে না।

১৬।  বছর শেষে প্রত্যেক শ্রেণিতে মেধাস্থান লাভকারীদের পুরস্কৃত করা হবে।